Header Ads Widget

Viral News: ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে হঠাৎই জমা পড়ল ৯০০ কোটি টাকা ! রাতারাতি কোটিপতি ক্লাস সিক্সের দুই স্কুল পড়ুয়া

কাটিহার, বিহার: না কোনও স্ক্র্যাচ কুপন নয়, লটারি নয়, লাকি ড্র-ও নয় ৷ আর ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’তেও কেউ টাকা জেতেনি ৷ তা সত্ত্বেও তাদের ব্যাঙ্কে এখন কোটি কোটি টাকা ! ভাবতেই অবাক লাগছে তো ৷ হ্যা বিহারের কাটিহারে (Katihar) ঠিক এমন ঘটনাই ঘটেছে সম্প্রতি ৷
গ্রামের দুই স্কুল পড়ুয়া কিশোরের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে হঠাৎই ট্রান্সফার হয়েছে ৯০০ কোটি টাকা (Rs 900 crores credited in bank accounts) ৷ যা দেখে গ্রামের অন্যান্য বাসিন্দারাও ব্যাঙ্কের সামনে এখন লাইন লাগিয়েছেন ৷ কারণ সবাই নিজের পাসবুক আপডেট করে একবার ব্যালেন্স চেক করে নিতে চান ৷ ভাবছেন, যদি তাদেরও অ্যাকাউন্টে কিছু টাকা এইভাবেই পড়ে গিয়ে থাকে !


আরও পড়ুন-চলতি মাসের শেষেই প্রাথমিক টেটের ফল? ‘প্রশ্ন ভুল’ এড়াতে উত্তরপত্র আপলোড পর্ষদের

দুই স্কুল পড়ুয়ার ব্যাঙ্কে যে পরিমাণ টাকা জমা হয়েছে, সেই পরিমাণ টাকা হয়তো কোনও ধনীর সেভিংস অ্যাকাউন্টেও থাকে না ৷ ৯০০ কোটি টাকা হঠাৎ এমনি এমনি পেয়ে যাওয়া তো আর মুখের কথা নয় ৷ কাটিহার জেলার আজমগড়ের প্রখণ্ড পস্তিয়া গ্রামের ঘটনা ৷


বুধবার সন্ধেবেলা খবরটা জানাজানি হওয়ার পর থেকেই সব মানুষই ব্যাঙ্কে নিজের ব্যালেন্স চেক করার জন্য লাইনে দাঁড়ান ৷ ওই গ্রামের দুই স্কুল পড়ুয়ার মধ্যে আশিস নামের একজনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে ৬ কোটি ২০ লক্ষ ১১ হাজার এবং ১০০ টাকা ৷ অন্যদিকে গুরু চরণ বিশ্বাসের ব্যাঙ্কে জমা পড়েছে ৯০৫ কোটি টাকা ! দু’জনেই ষষ্ঠ শ্রেণীর পড়ুয়া বলে জানা গিয়েছে ৷ পড়াশোনার জন্য সরকারি অনুদান হিসেবে টাকা জমা পড়ার কথা ছিল ৷ কিন্তু তাই বলে একেবারে কোটি কোটি টাকা জমা পড়বে, তা কেউ স্বপ্নেও ভাবেনি ৷

নিজেদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে কত টাকা জমা পড়ল, তা জানার জন্যই ব্যালেন্স চেক করতে গিয়েছিলেন ওই দুই কিশোর এবং তাদের বাবা মা ৷ ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স দেখে প্রায় অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার জোগাড় ৷ এত টাকা হঠাৎ কোথা থেকে এল ! উপস্থিত প্রত্যেকেই এই পরিমাণ টাকার অঙ্ক দেখে চমকে ওঠেন ৷ ব্যাঙ্কের শাখার এক কর্মী মনোজ গুপ্তাও এই ঘটনায় অবাক হয়ে যান ৷

আপাতত দু’জনের অ্যাকাউন্টেই সবরকম লেনদেন বন্ধ করে দিয়েছে ব্যাঙ্ক ৷ কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা পর্যন্ত ওই দুই অ্যাকাউন্ট ফ্রিজই থাকবে ৷ কীভাবে কার গাফিলতিতে এমন বিশাল ভুল হয়ে গেল, তা খতিয়ে দেখছে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ ৷