Header Ads Widget

'হর হর শম্ভু' গানে মন কেড়েছেন অভীলিপ্সা

 হর হর শাশশির মহাদেব শম্ভুশম্ভু'। এই গানটি বাচ্চা থেকে বুড়ো সকলের হৃদয় জায় করেছে। শুধু শিবভক্তরাই নন, এই গানের সুরতালে মুগ্ধ আমজনতাও যাঁর শিবভবির গান সারা দেশ মাতাচ্ছে, কে সেই গায়ক



ঠাকুরদার কাছে ধ্রুপদী সঙ্গীতে তালিম নেন তিনি। চার বছর বয়সে ওডিশি ধ্রুপদী সঙ্গীত শেখা শুরু 'হর হর শঙ্কু' খ্যাত সেই গায়িকা করেন। ১৭ বছর বয়সে ওড়িশায় হলেন অভীলিদা পাণ্ডা। তু শর্মার গানের একটি রিয়ালিটি শোতে অংশ সঙ্গে ডুয়েটে 'হর হর শম্ভু গান গেয়ে নেন চণ্ডীলিঙ্গা।


মন মাতাচ্ছেন আট থেকে আশির। সেই সময় তাঁর একটি গান বেশ ওড়িশার কেওনঝড়ের বারবিলে থাক ভাইরাল হয়। সেই নাই ব্রাহ্মণ পরিবারে ২০০১ সালে জন্ম হওয়ার পরেই 'হর হর শঙ্কু' গানের প্রস্তাব পান। তার পরই রাতারাতি তাঁর পরিচিতি ছড়িয়ে পড়ে সেই গানের মধ্য দিয়ে।


অতীলিঙ্গার। তাঁরা দুই বোন।


অতালিঙ্গার বাবা অশোক পাতা


ভারতীয় সেনার প্রাক্তন কর্মী। বর্তমানে একটি বেসরকারি সংস্থায় ম্যানেজার হিসেবে কাজ করেন। তাঁর মা পুষ্পান্নী পেশায় শিক্ষক। শৈশবেই গানের সঙ্গে পরিচয় হয়


অতীলিঙ্গার। তাঁর ঠাকুরদা গানের জন্য বারবিলে বেশ পরিচিত। ঠাকুরদার হাত ধরেই গানের জগতে পা রাখেন অতালিঙ্গা।


শাড়িকে ধুতির মতো পারে, কালো টিশার্ট এবং কপালে টিকা লাগিয়ে গানের রেকর্ডিং করেন।


তাঁর গাওয়া গানটি যে এত জনপ্রিয় হবে সেটা প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি অতীলিঙ্গা। ১০ বছর বয়সে স্টুডিয়াতে শিশুশিল্পী হিসাবে প্রথম রেকর্ডিং করেন।


আটটি ভাষায় গান করতে পারেন অভীলিঙ্গা। ইংরেজি, বাংলা, অসমীয়া, মরাঠি, মারওয়াড়ি, গুজরাতি, তামিল ভাষায় গান করতে পারেন।


শুধু গানই নয়, ক্যারাটেও জানেন। অভীলিঙ্গা। ক্যারাটেতে তিনি ব্ল্যাক বেল্ট পেয়েছেন।


২০২২এর এপ্রিলে 'হর হর গানের রেকর্ডিং করেন । গানের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে পোশাক পরে স্টুডিয্যায় এসেছিলেন তিনি।


সামুদ্রিক জীব নিয়ে গবেষণা করতে: চান অভীলিঙ্গা। ইচ্ছা সমুদ্রবিজ্ঞানী হওয়ার। এক সাক্ষাৎকারে